আজ মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস

আজ মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস

...

প্রকাশ : ১ বছর আগে

আপডেট : ৬ মাস আগে

আজ মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস

আজ মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ মঙ্গলবার ১৯ মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে ঢাকার উত্তরে জয়দেবপুরে (বর্তমান গাজীপুর) ১৯৭১ সালের এই দিনে অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালিরা পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।এদিন উপলক্ষে দেশ বিদেশে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান নানান কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের কবর জিয়ারত, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ভাষণে ‘তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে,’ এই মন্ত্রবলে বলিয়ান হয়ে ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই ঢাকার অদূরে জয়দেবপুরে অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালিরা সশস্ত্র সেনাবাহিনীর সামনে প্রথমবার রুখে দাঁড়িয়েছিল। হাজার-হাজার জনগণ অবতীর্ণ হয়েছিল সেই সম্মুখযুদ্ধে।১৯ মার্চে ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে আকস্মিকভাবে পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি রেজিমেন্ট জয়দেবপুরের (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করার জন্য পৌঁছে যায়। এ খবর জানা-জানি হতেই বিক্ষুদ্ধ জনতা জয়দেবপুরে এক প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। সশস্ত্র পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করলে অকুস্থলেই শহীদ হন অনেকে। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ জয়দেবপুরের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নিজ হাতে লিখে একটি বাণী দিয়েছিলেন। মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই বাণী বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।বাণীতে তিনি বলেন, ‘আমি কয়েকদিন পূর্বে ৭ মার্চ তারিখে ডাক দিয়েছিলাম, যার কাছে যা আছে, তাই দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোল। জয়দেবপুরবাসীরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। আমি তাদের মোবারকবাদ জানাই।’তিনি আরও বলেন, ‘কোন মহৎ কাজই ত্যাগ ব্যতিত হয় না। জয়দেপুরের নিয়ামত, মনু, খলিফা ও চান্দনা চৌরাস্তায় হুরমতের আত্মত্যাগও বৃথা যায় নাই। শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। তাই আজ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের ফলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রাম শেষ হয়েছে। আসুন আজ আমরা সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার সংগ্রামে লিপ্ত হই।’ তিনি জয় বাংলা বলে বাণীটি শেষ করেন।
  • শেয়ার করুন-

সংশ্লিষ্ট

চাকরিপ্রার্থীরা আর কত  অপেক্ষা করবেন

চাকরিপ্রার্থীরা আর কত অপেক্ষা করবেন

সাভারে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধে

সাভারে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ৫ যাত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ৫ যাত্রী

বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত ৩৬৭ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত ৩৬৭ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

ঢাকায় পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ

ঢাকায় পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ

ঢাকায় পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ

ঢাকায় পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ

নওগাঁয় তুলে ধরা হলো ১৯৭১ সালের শরণার্থীদের দুর্দশার চিত্র

নওগাঁয় তুলে ধরা হলো ১৯৭১ সালের শরণার্থীদের দুর্দশার চিত্র

নওগাঁয় তুলে ধরা হলো ১৯৭১ সালের শরণার্থীদের দুর্দশার চিত্র

নওগাঁয় তুলে ধরা হলো ১৯৭১ সালের শরণার্থীদের দুর্দশার চিত্র

১৩ এপ্রিল: থানাপাড়াবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেয় একাত্তরের ভয়ানক দিনের কথা

১৩ এপ্রিল: থানাপাড়াবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেয় একাত্তরের ভয়ানক দিনের কথা

মন্তব্য করুন