পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় ভুয়া চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। দিপু নামের ওই ব্যক্তি নিজেকে এমবিবিএস ডিগ্রিধারী বলে দাবি করেন এবং ভিজিটের নামে রোগীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন ।৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে ওই চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন মর্মে তিনি উল্লেখ করেন। অভিযোগকারীর বাড়ি উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের সূর্যমনি এলাকায়।ভুয়া চিকিৎসক দিপু বরিশালের দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার মৃত মমিন আলীর পুত্র। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেই চেম্বার দিয়ে রোগী দেখেন এই ভুয়া চিকিৎসক। এর আগেও ভুল চিকিৎসা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে এই ভোয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পত্রে তিনি বলেন, ১২ জানুয়ারি ১০ বছর বয়সী অসুস্থ ছেলে মহিবুল্লাহকে ডাক্তার দেখানের জন্য মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন তিনি। হাসপাতালের গেটে আসতে না আসতেই একজন লোক তাদের সামনে এগিয়ে আসেন। হাসপাতালের সামনে বরিশালের একজন ডাক্তার রোগী দেখেন বলে তিনি তাদের জানান। একথা শুনে ওই ডাক্তারের চেম্বারে যান তারা। শুরুতেই শিশু মহিবুল্লাহকে ৩টি টেস্ট দেওয়া হয়। টেস্ট রিপোর্ট পেয়ে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাডে ওষুধ লিখেন তিনি। এ সময় তিনি নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার বলে পরিচয় দেন। প্রেসক্রিপশনে এমবিবিএস লেখা নেই কেন এমন প্রশ্নেন জবাবে প্যাড শেষ হয়ে গেছে বলে তিনি শিশুটির বাবা মোস্তাফিজুর রহমানকে বুঝানোর চেষ্টা করেন। ওষুধ খাওয়ার একদিন পরেই শিশুটির শরীর ফুলে যায়। তখন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডা. রাজীব রায় চৌধুরীর কাছে নিয়ে আসলে তিনি শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. স্বপন কুমার হালদারের নিকট রেফার করেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী শিশুটিকে ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পর সুস্থ হয়। ভুয়া চিকিৎসকের অপচিকিৎসায় তার দু'টি কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। এতে প্রায় ১ লক্ষ টাকা চিকিৎসা খরচ মেটাতে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে হিমশিম খেতে হয়।এ ব্যাপারে পিরোজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসনাত ইউসুফ জাকী জানান, দিপু নামে ওই ভুয়া চিকিৎসককে আইনের আওতায় আনার জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কিন্তু অভিযানের সময় সে পালিয়ে যায়। গোয়েন্দা সংস্থা সহযোগিতা করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৬:১৮ এএম
পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় ভুয়া চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। দিপু নামের ওই ব্যক্তি নিজেকে এমবিবিএস ডিগ্রিধারী বলে দাবি করেন এবং ভিজিটের নামে রোগীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন ।৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে ওই চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন মর্মে তিনি উল্লেখ করেন। অভিযোগকারীর বাড়ি উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের সূর্যমনি এলাকায়।ভুয়া চিকিৎসক দিপু বরিশালের দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার মৃত মমিন আলীর পুত্র। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেই চেম্বার দিয়ে রোগী দেখেন এই ভুয়া চিকিৎসক। এর আগেও ভুল চিকিৎসা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে এই ভোয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পত্রে তিনি বলেন, ১২ জানুয়ারি ১০ বছর বয়সী অসুস্থ ছেলে মহিবুল্লাহকে ডাক্তার দেখানের জন্য মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন তিনি। হাসপাতালের গেটে আসতে না আসতেই একজন লোক তাদের সামনে এগিয়ে আসেন। হাসপাতালের সামনে বরিশালের একজন ডাক্তার রোগী দেখেন বলে তিনি তাদের জানান। একথা শুনে ওই ডাক্তারের চেম্বারে যান তারা। শুরুতেই শিশু মহিবুল্লাহকে ৩টি টেস্ট দেওয়া হয়। টেস্ট রিপোর্ট পেয়ে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাডে ওষুধ লিখেন তিনি। এ সময় তিনি নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার বলে পরিচয় দেন। প্রেসক্রিপশনে এমবিবিএস লেখা নেই কেন এমন প্রশ্নেন জবাবে প্যাড শেষ হয়ে গেছে বলে তিনি শিশুটির বাবা মোস্তাফিজুর রহমানকে বুঝানোর চেষ্টা করেন। ওষুধ খাওয়ার একদিন পরেই শিশুটির শরীর ফুলে যায়। তখন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডা. রাজীব রায় চৌধুরীর কাছে নিয়ে আসলে তিনি শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. স্বপন কুমার হালদারের নিকট রেফার করেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী শিশুটিকে ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পর সুস্থ হয়। ভুয়া চিকিৎসকের অপচিকিৎসায় তার দু'টি কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। এতে প্রায় ১ লক্ষ টাকা চিকিৎসা খরচ মেটাতে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে হিমশিম খেতে হয়।এ ব্যাপারে পিরোজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসনাত ইউসুফ জাকী জানান, দিপু নামে ওই ভুয়া চিকিৎসককে আইনের আওতায় আনার জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কিন্তু অভিযানের সময় সে পালিয়ে যায়। গোয়েন্দা সংস্থা সহযোগিতা করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৬:১৮ এএম
পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনা পাথরঘাটার কাঠালতলীতে জ্যান্ত মুরগির পা কেটে রক্ত বের করে সেই রক্ত রোগীর মুখ ও হাতে পায়ে মেখে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক নারী মিনারা বেগমের বিরুদ্ধে। একই সাথে ছাগলের গলার নিচে ছুড়ি দিয়ে অল্প অংশ কেটে রক্ত বের করে সেই রক্ত দিয়ে চিকিৎসার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার জীবিত মুরগি ও ছাগলের রক্ত দিয়ে চিকিৎসা দেয়ার কথা সাংবাদিকের সাথে স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মিনারা বেগম। তিনি নিজে একসাথে দুটি ধর্ম পালনের কথাও স্বীকার করেছেন। এ সকল কাজে তাকে সহযোগিতা করেন তার স্বামী খাদেম শামীম।মিনার বেগম পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে তার শ্বশুরের ইউসুফ কবিরাজের বাড়িতে বসেই এমন চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।সরেজমিন গিয়ে মিনারা বেগমের সাথে কথা বলে জানা যায়, শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে বিরোধ হলে ১৬ বছর আগে চট্টগ্রামে গৃহকর্মীর কাজে যান তিনি। সেখানে গিয়ে তান্ত্রিক কবিরাজ বাবা তাহেরীর আস্তানার সন্ধান পেয়ে তার ভক্ত হন। সেখান থেকে তিন বছর সাধনা করে স্বপ্ন যোগে আধ্যাত্মিকতা লাভ করেন। এরপর দেশের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটায় এসে ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার, আলসার, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের মিলন, জাদু-টোনা থেকে মুক্তিসহ নানা গোপন রোগের চিকিৎসা শুরু করেন। এ চিকিৎসায় পাথরঘাটার অনেক রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তি সুস্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।মিনারা জানান, তার উপর দুটো জিন (আত্মা) ভর করে আছে। একটি ভালো অপরটি খারাপ। ভালোটিকে ফুল ফল গোলাপ জল দিয়ে পবিত্র রাখতে হয়। তার জন্য ঘরের কোণে একটি আস্তানা তৈরি করে রেখেছেন। অপরটির জন্য তাজা রক্ত খাবারের জন্য দিতে হয়। তাই বিভিন্ন রোগের উপর নির্ভর করে জীবিত মুরগি ও ছাগলের তাজা রক্ত প্রয়োজন হয়। তাই জীবিত মুরগির পা কেটে ও ছাগলের গলার নিচ থেকে কেটে ঝুলিয়ে রেখে রক্ত বের করে রোগীর গায়ে মেখে গোসল করিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয় । এর বিনিময়ে ১৬৫১ টাকা থেকে ২৬৫১ টাকা নিয়ে থাকেন তিনি।এ বিষয়ে পাথরঘাটা সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা গোলাম কিবরিয়া জানান, এই কুসংস্কার ইসলাম সমর্থন করে না। এছাড়াও কোনো প্রাণীকে জবেহ না করে অঙ্গহানির মাধ্যমে রক্ত বের করে কষ্ট দেয়া একটি বর্বরতা। এদের আইনের আওতায় আনা উচিত।পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শাহ আলম হাওলাদার জানান, বিষয়টি জানার পর খোঁজ খবর নিচ্ছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৬:০৪ এএম
পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনা পাথরঘাটার কাঠালতলীতে জ্যান্ত মুরগির পা কেটে রক্ত বের করে সেই রক্ত রোগীর মুখ ও হাতে পায়ে মেখে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক নারী মিনারা বেগমের বিরুদ্ধে। একই সাথে ছাগলের গলার নিচে ছুড়ি দিয়ে অল্প অংশ কেটে রক্ত বের করে সেই রক্ত দিয়ে চিকিৎসার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার জীবিত মুরগি ও ছাগলের রক্ত দিয়ে চিকিৎসা দেয়ার কথা সাংবাদিকের সাথে স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মিনারা বেগম। তিনি নিজে একসাথে দুটি ধর্ম পালনের কথাও স্বীকার করেছেন। এ সকল কাজে তাকে সহযোগিতা করেন তার স্বামী খাদেম শামীম।মিনার বেগম পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে তার শ্বশুরের ইউসুফ কবিরাজের বাড়িতে বসেই এমন চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।সরেজমিন গিয়ে মিনারা বেগমের সাথে কথা বলে জানা যায়, শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে বিরোধ হলে ১৬ বছর আগে চট্টগ্রামে গৃহকর্মীর কাজে যান তিনি। সেখানে গিয়ে তান্ত্রিক কবিরাজ বাবা তাহেরীর আস্তানার সন্ধান পেয়ে তার ভক্ত হন। সেখান থেকে তিন বছর সাধনা করে স্বপ্ন যোগে আধ্যাত্মিকতা লাভ করেন। এরপর দেশের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটায় এসে ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার, আলসার, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের মিলন, জাদু-টোনা থেকে মুক্তিসহ নানা গোপন রোগের চিকিৎসা শুরু করেন। এ চিকিৎসায় পাথরঘাটার অনেক রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তি সুস্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।মিনারা জানান, তার উপর দুটো জিন (আত্মা) ভর করে আছে। একটি ভালো অপরটি খারাপ। ভালোটিকে ফুল ফল গোলাপ জল দিয়ে পবিত্র রাখতে হয়। তার জন্য ঘরের কোণে একটি আস্তানা তৈরি করে রেখেছেন। অপরটির জন্য তাজা রক্ত খাবারের জন্য দিতে হয়। তাই বিভিন্ন রোগের উপর নির্ভর করে জীবিত মুরগি ও ছাগলের তাজা রক্ত প্রয়োজন হয়। তাই জীবিত মুরগির পা কেটে ও ছাগলের গলার নিচ থেকে কেটে ঝুলিয়ে রেখে রক্ত বের করে রোগীর গায়ে মেখে গোসল করিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয় । এর বিনিময়ে ১৬৫১ টাকা থেকে ২৬৫১ টাকা নিয়ে থাকেন তিনি।এ বিষয়ে পাথরঘাটা সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা গোলাম কিবরিয়া জানান, এই কুসংস্কার ইসলাম সমর্থন করে না। এছাড়াও কোনো প্রাণীকে জবেহ না করে অঙ্গহানির মাধ্যমে রক্ত বের করে কষ্ট দেয়া একটি বর্বরতা। এদের আইনের আওতায় আনা উচিত।পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শাহ আলম হাওলাদার জানান, বিষয়টি জানার পর খোঁজ খবর নিচ্ছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৬:০৪ এএম