বিনোদন রিপোর্ট: খালিদ ঋতিকে আবারও মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক কান চলচ্চিত্র উৎসবের ফিপ্রেসকি জুরি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি একাধারে সাংবাদিক, চলচ্চিত্র সমালোচক ও চিত্রনাট্যকার সাদিয়া। এর আগে তিনি ২০১৯ সালে প্রথমবার কানের জুরি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।৭৭তম কান উৎসব থেকে ফের ডাক পাওয়া প্রসঙ্গে ঋতি বলেন, ‘কান বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব। দ্বিতীয়বার আমন্ত্রণ পাওয়া একটি অবিশ্বাস্য সম্মান।ঋতি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস এঞ্জেলেস থেকে চিত্রনাট্যে পড়াশোনা শেষ করে বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবের জুরির দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইতালি, ভারত, ইংল্যান্ড, নেপাল, ফ্রান্স, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশে।তিনি বেঙ্গালুরু ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, কেরালা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে ফিপ্রেসকি (ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফিল্ম ক্রিটিকস) জুরি হিসেবেও কাজ করেছেন দক্ষতার সঙ্গে। ঋতি দেশের ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং ওয়েস্ট মিটস ইস্ট স্ক্রিনপ্লে ল্যাবের সহ-প্রধান।২০২২ সালে বাংলাদেশ থেকে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের প্রথম আন্তর্জাতিক ভোটার এবং ২০২০ সালে বার্লিনালে ট্যালেন্টসে প্রথম বাংলাদেশী চলচ্চিত্র সমালোচক হিসাবে নির্বাচিত হন ঋতি । ফিল্ম ইন্ডিপেনডেন্ট এবং লোকার্নো ওপেন ডোরস-এর সাথে মেন্টরশিপ প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন ঋতি ।ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে চার্লস ওয়ালেস ফেলোশিপের অংশ হিসাবে তিনি ২০২৩ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে পরাবাস্তব চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে ফিল্ম স্টাডিজ বিষয়ে বর্তমানে শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।উল্লেখ্য, ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসব ফ্রান্সের কান সৈকতে ১৪ মে থেকে ২৫ মে ২০২৪-এ অনুষ্ঠিত হবে। চিত্রনাট্যকারের ভূমিকায় ঋতিকে দেখা গিয়েছে নুরুল আলম আতিকের ওয়েব সিরিজ ‘আষাঢ়ে গল্প’তে। তার দুটো শর্ট ফিল্ম অস্কার কোয়ালিফাইং ফেস্টিভালে অংশ নিয়েছে।এর আগে বাংলাদেশ থেকে আহমেদ মুজতবা জামাল ২০০২, ২০০৫ এবং ২০০৯ সালে কানে ফিপ্রেসকি জুরি ছিলেন। ঋতি ২০১৯ সালে এবং ২০২২ সালে বিধান রিবেরু এই জুরির দায়িত্ব পালন করেন। তারা আইএফসিএবি (বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সমালোচক সমিতি)-এর সদস্য হিসেবে যোগদান করেন সেই উৎসবে।
১৭ এপ্রিল ২০২৪ ০৭:৩৬ এএম
নিজস্ব প্রতিবেদক: সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে আইপিইউ অ্যাসেম্বলি শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ঢাকা ত্যাগ করেছেন।২০ মার্চ বুধবার দিবাগত গভীর রাত ৩টার দিকে জেনেভার উদ্দেশ্যে স্পিকার ও তার সফরসঙ্গীরা ঢাকা ত্যাগ করেন। জেনেভায় আগামী ২৩ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত ১৪৮তম আন্তর্জাতিক এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।এ সময় সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি, শফিকুল ইসলাম এমপি, মাহবুব উর রহমান এমপি, শাহাদারা মান্নান এমপি, নীলুফার আনজুম এমপি, এইচ এম বদিউজ্জামান এমপি, মো. মুজিবুল হক এমপি এবং আখতারুজ্জামান এমপি ঢাকা ত্যাগ করেন।এছাড়া, সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত সচিব এম. এ কামাল বিল্লাহ, যুগ্ম সচিব এনামুল হক, যুগ্ম সচিব মো. নাজমুল হক, উপসচিব মো. ওয়ারেস হোসেন এবং উপসচিব মো. জসিম উদ্দিন সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।প্রসঙ্গত, স্পীকারের স্পাউস সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইন নিজ খরচে স্পীকারের সফরসঙ্গী হয়েছেন। সরকারি সফর শেষে স্পিকার, সংসদীয় প্রতিনিধিদল ও তাঁর সফরসঙ্গীরা আগামী ২৯ মার্চ তারিখে দেশে ফিরবেন।
২১ মার্চ ২০২৪ ০৬:১১ এএম
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি: মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) "টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ" শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে।৫ মার্চ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গবেষণা সেলের উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী এমপি।বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন।এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ওয়ান বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রাশিদুল হাসান। মূল বিষয়ের উপর আলোচনা করেন মাভাবিপ্রবি'র প্রো ভাইস- চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক ও গবেষণা সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ওবায়দুল হক।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশু শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শ্রেণি পর্যন্ত এ সরকারই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে যুগোপযোগী সিলেবাস তৈরি করে দিয়েছে, যা টেকসই উন্নয়ন সাধনে তরুণদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলবে।শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণালব্দ বিষয় জনসাধারণের মাঝে কাজে লাগাতে হবে। আমরা যে যেখানে কাজ করছি সবাইকে সাধারণ মানুষের মন বুঝে কাজ করতে হবে।দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশি বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ তাদের গবেষণা পেপার উপস্থাপন করবেন।
০৬ মার্চ ২০২৪ ০৪:৩৮ এএম
নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানির মিউনিখে বিশ্ব নেতাদের সামনে ছয়টি প্রস্তাব পেশ করেছেন। এসময় তিনি বিশ্বব্যাপী ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জন্য জলবায়ু অর্থায়ন ছাড় করা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য তহবিলকে সরিয়ে আনার লক্ষ্যে অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করার আহবান জানিয়েছেন।১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মিউনিখে সিকিউরিটি কনফারেন্স ২০২৪-এ "ফ্রম পকেট টু প্ল্যানেট, স্কেলিং আপ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স" শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তার প্রস্তাবিত পরামর্শে এই মন্তব্য করেন।অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতো বন্ধ করার আহবান জানিয়ে প্রধনমন্ত্রী বলেন, “অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং এর পরিবর্তে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহের জন্য সম্পদের সংস্থান করা দরকার। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, মানবতার অস্তিত্ব যখন হুমকির মুখে পড়বে, তখন সংকীর্ণ স্বার্থ রক্ষার পথ অনুসরণ করলে তা কোনো সুফল বয়ে আনবে না।"ছয়টি পরামর্শ তুলে ধরার সময় তার প্রথম পরামর্শ উপস্থাপন করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সঠিক পথে রাখতে জলবায়ু অর্থায়নের বরাদ্দ ছাড় করার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। এই বছরের শেষ নাগাদ, আমাদের সকলকে অবশ্যই বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিশেষ করে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে ২০২৫-পরবর্তী একটি নতুন জলবায়ু অর্থায়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একমত হতে হবে’।দ্বিতীয় প্রস্তাবে মানবতার জননী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বকে যুদ্ধ, সংঘাত, অবৈধ দখলদারিত্ব ও নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নির্মম হত্যাকান্ড থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে। যা গাজা ও অন্যত্র বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করছে। নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সংঘাতের অনুভূতির বোধ থেকেও অনেক দূরে অনুভূত হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি’।ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে তৃতীয় পরামর্শে তিনি বলেন, ‘জলাযায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনের জন্য অর্থায়নের তীব্র ভারসাম্যহীনতা দূর করতে অভিযোজন অর্থায়নের বর্তমান পর্যায় অন্তত দ্বিগুণ করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে, অভিযোজনে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ইউরো প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়ায় তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে ধন্যবাদ জানান’।বিশ্ব নেতাদের দেওয়া চতুর্থ পরামর্শে তিনি বলেন, ‘বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলির অর্থ প্রাপ্তি সুগম করার জন্য দীর্ঘকালের অমীমাংসিত সমস্যাটি তাদের সক্ষমতায় বিনিয়োগ করার সুযোগসহ সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড থেকে অর্থায়ন পাওয়ার জন্য আমাদের শুধুমাত্র দুটি যোগ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং আরও দুটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’পঞ্চম পরামর্শে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থায়নের ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ঋণের বোঝা দূর করতে তাদের জন্য অনুদান ও সুবিধাজনক ঋণ লাভের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থপূর্ণ ফলাফল দেখাতে হবে’।সর্বশেষ ও ষষ্ঠ পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু কর্মসূচি জন্য বেসরকারি পুঁজি প্রবাহের জন্য সরকারগুলোকে সঠিক পরিকল্পনা, নীতি ও ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রকল্পগুলির জন্য বেসরকারী পুঁজি আকৃষ্ট করার জন্য উদ্ভাবনী, মিশ্র অর্থায়নের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এটি সুস্পষ্ট যে, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ছাড়া জলবায়ু অর্থায়নের বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কার্যকর সমাধান করা যাবে না।’বিশ্বব্যাপী জলবায়ু তহবিল অপর্যাপ্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, প্রতিশ্রুত জলবায়ু অর্থায়ন এখনও গুরুতরভাবে অপর্যাপ্ত। 'জলবায়ু অর্থায়ন' এবং এর অ্যাকাউন্টিং পদ্ধতির বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত সংজ্ঞার অনুপস্থিতির কারণে এটি আরও জটিল। সকলেই জলবায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের বর্তমান মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে’।বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণে আমাদের অবদান নগণ্য (বৈশ্বিক নির্গমনের ০.৪৭%-এর কম) হলেও তার দেশ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে। “এটা অনুমান করা হয় যে, এখন থেকে ২০৫০ পর্যন্ত, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের বার্ষিক জিডিপি ক্ষতি হবে ২%, এবং এই হারে ২১০০ সালের মধ্যে, ক্ষতি ৯% পর্যন্ত হবে। আরও অনুমান করা হয়েছে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের প্রায় ১৩.৩ মিলিয়ন মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হতে পারে। ” বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড ২০০৯ সালে নিজস্ব সম্পদ থেকে গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তহবিল এ পর্যন্ত প্রায় ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে ৮০০টিরও বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। (সূত্র: বাসস)
১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৪:১২ এএম
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে চলতি বছরের ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি। ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক সমাজ ও মানববিদ্যা সম্মেলন’ (3rd International Conference on Humanities and Social Sciences) শিরোনামে আয়োজিত এই সম্মেলনের ফোকাস পয়েন্ট মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান।দুদিনব্যাপী এই সম্মেলনের জন্য বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় আড়াই শতাধিক গবেষণার সারসংক্ষেপ থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ১ শত গবেষণা সারসংক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।ইতোমধ্যে ঘোষিত হয়েছে বক্তাদের নাম। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখরের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে সামাজিক বিজ্ঞানে মূল বক্তা (Keynote Speaker) হিসেবে থাকছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেম (IFES) এর বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর টানিয়েল বি. তাইসি, পিএইচডি (ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি)। এছাড়া কলা ও মানবিক বিষয়ের মূল বক্তা (Keynote Speaker) হিসেবে থাকছেন ভারতের রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার ও চারুকলা বিষয়ের মূল বক্তা (Keynote Speaker) হিসেবে থাকছেন ইন্দোনেশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ আর্টস (আইএসআই) এর রেক্টর অধ্যাপক ড. আই ওয়ায়ান আদনানা এস.এস.এন.এম.এসএন।সম্মেলন নিয়ে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান পল বলেন, আমরা আড়াই শতাধিক গবেষণা সারসংক্ষেপ থেকে যাচাই-বাছাই শেষে একশ’ গবেষণা সারসংক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আরও অনেকে নির্দিষ্ট সময়ের পর গবেষণা সারসংক্ষেপ জমা দিয়েছে। মূল বক্তা নির্বাচনে আমরা বৈচিত্র্য রেখেছি। তিনজন মূলবক্তা ৩ দেশ থেকে আসবেন। উপাচার্য স্যারের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনায় পুরো দল মিলে সুন্দরভাবে আগাচ্ছি। সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আশা করি সুন্দরভাবেই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, আন্তর্জাতিক সম্মেলন আমাদের ধারাবাহিক কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। গত দু'বছর দুটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়েছে। প্রতিবছরেই আন্তজার্তিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তারই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় আন্তজার্তিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শুধু সময়টাকে এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আগে মার্চ-এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হলেও এবার ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। ১৮-১৯ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে, যাতে সবাই ২১ ফেব্রুয়ারিতে বইমেলায় যেতে পারে। গতবারের মতো করেই অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলনটি। তবে অথিতি হিসেবে আমরা এখনো কাউকে চূড়ান্ত করিনি।এই সম্মেলনে দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারবেন যেকেউ। ১৫ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে শুরু হবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া। রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ টাকা (১৫ ইউএস ডলার) ও প্রফেসনালদের জন্য ১৫০০ টাকা (৩০ ইউএস ডলার) ধরা হয়েছে৷ কো-অথোরদের আলাদা আলাদা রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়েছে। তবে তিনজনের বেশি কো-অথোর গ্রহণযোগ্য নয়।
০৫ জানুয়ারী ২০২৪ ০৫:১২ এএম