সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় সরকারি খাদ্য গুদামে বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে।১৪ মে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বোনারপাড়া সরকারি খাদ্য গুদামে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন করেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইসাহাক আলী।এ সময় সহকারী কমিশনার ভূমি মনোরঞ্জন বর্মন, মৎস্য অফিসার এমদাদুল হক, খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুনার রশিদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মিঠুন কুন্ডু, যুব উন্নয়ন অফিসার আবু বকর সিদ্দিক, পল্লী উন্নয়ন অফিসার সামিউল ইসলাম, সমবায় অফিসার আব্দুল কাফি, সহকারী প্রোগ্রামার কামরুজ্জামান, একাডেমিক সুপার ভাইজার সিদ্দিকুর রহমান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার ওয়ালিউর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পবন কুমার সরকার, খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন, বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পবিত্র কুমার, মিল মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল হালিম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে বোনারপাড়া সরকারি খাদ্য গুদামে ৩২ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৪শ’ ৭৮ মেট্রিকটন ধান, ৪৫টাকা কেজি দরে ৩ হাজার ১শ’ ৫৭ মেট্রিকটন সিদ্ধচাল, ৪৪ টাকা কেজি দরে ১শ’ ২৯ মেট্রিকটন আতপ চাল ও ৩৪ টাকা কেজি দরে ৬৮ মেট্রিকটন গম ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৫ মে ২০২৪ ০৩:২৩ এএম
শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ তার বাসা থেকে জব্দ করা চাল ও বস্তা গ্রিল কেটে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা কালে হাতে নাতে ধরা পড়েছেন।১২ নম্ভেবর রোববার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুদামে এসে তাকে ধরে ফেলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় গ্রিল কাঁটার মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। অভিযানকালে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ইমামুল হাফিজ নাদিম উপস্থিত ছিলেন।ইউএনওর দাবি, জব্দকৃত আলামত নষ্ট করে বা সরিয়ে নিয়ে উপজেলার প্রশাসনের অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেয়েছিলেন ইকবাল মাহমুদ ও তার সহযোগীরা।আগের দিন শনিবার ভেদরগঞ্জ উপজেলা গুদাম কর্মকর্তার বাসায় সরকারি চাল রয়েছে এমন সংবাদের অভিযান পরিচালনা করে ১৩ বস্তা চাল ও ১১শ’ খালি বস্তা জব্দ করা হয়। এ সময় তার বাসভবন সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই চাল ও বস্তা সরিয়ে নিতে রোববার সন্ধ্যায় মিস্ত্রী এনে বাসার জানালার গ্রিল কাঁটেন ইকবাল মাহমুদ।গ্রিল কাঁটার মিস্ত্রী সজিব আহমেদ বলেন, ভেদরগঞ্জ বাজার থেকে তাকে ডেকে এনে গ্রিল কেঁটে কয়েক বান্ডেল বস্তা সরিয়ে নেয় গুদাম কর্মকর্তার সহযোগীরা। এ সময় ইউএনও এসে তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে।জেলা গুদাম কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন, ইকবাল মাহমুদের এমন কাণ্ডে আমরা লজ্জিত। তার বিষয়ে উপরস্থ কর্মকর্তগণ সিদ্ধান্ত নেবেন।ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ইকবাল মাহমুদের এমন কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তার কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেয়া হয়েছে। দুদক তাদের আইন মোতাবেক তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।
১৩ নভেম্বর ২০২৩ ০২:৪৪ এএম
শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ তার বাসা থেকে জব্দ করা চাল ও বস্তা গ্রিল কেটে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা কালে হাতে নাতে ধরা পড়েছেন।১২ নম্ভেবর রোববার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুদামে এসে তাকে ধরে ফেলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় গ্রিল কাঁটার মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। অভিযানকালে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ইমামুল হাফিজ নাদিম উপস্থিত ছিলেন।ইউএনওর দাবি, জব্দকৃত আলামত নষ্ট করে বা সরিয়ে নিয়ে উপজেলার প্রশাসনের অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেয়েছিলেন ইকবাল মাহমুদ ও তার সহযোগীরা।আগের দিন শনিবার ভেদরগঞ্জ উপজেলা গুদাম কর্মকর্তার বাসায় সরকারি চাল রয়েছে এমন সংবাদের অভিযান পরিচালনা করে ১৩ বস্তা চাল ও ১১শ’ খালি বস্তা জব্দ করা হয়। এ সময় তার বাসভবন সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই চাল ও বস্তা সরিয়ে নিতে রোববার সন্ধ্যায় মিস্ত্রী এনে বাসার জানালার গ্রিল কাঁটেন ইকবাল মাহমুদ।গ্রিল কাঁটার মিস্ত্রী সজিব আহমেদ বলেন, ভেদরগঞ্জ বাজার থেকে তাকে ডেকে এনে গ্রিল কেঁটে কয়েক বান্ডেল বস্তা সরিয়ে নেয় গুদাম কর্মকর্তার সহযোগীরা। এ সময় ইউএনও এসে তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে।জেলা গুদাম কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন, ইকবাল মাহমুদের এমন কাণ্ডে আমরা লজ্জিত। তার বিষয়ে উপরস্থ কর্মকর্তগণ সিদ্ধান্ত নেবেন।ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ইকবাল মাহমুদের এমন কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তার কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেয়া হয়েছে। দুদক তাদের আইন মোতাবেক তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।
১৩ নভেম্বর ২০২৩ ০২:৪৪ এএম