নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদুল ফিতর উদযাপনে টানা ছয় দিনের লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশ। টানা ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুরা সমুদ্র সৈকতে ছুটে যান। এবার ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। ইতোমধ্যে কক্সবাজারের অধিকাংশ হোটেল-মোটেলে আগাম বুকিং শুরু হয়ে গেছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকবে সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এছাড়া সমুদ্র সৈকতের স্মার্ট নিরাপত্তা জোরদার করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিচে পর্যটকরা যেন সরাসরি পুলিশের সেবা পেতে পারে, সেজন্য ইন্টারকম লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি ইমারজেন্সি প্রেস বাটন লাগানো হয়েছে। বাটনে চাপ দেওয়ার সাথে সাথে বেল বেজে উঠবে এবং আওয়াজ শুনার সাথে সাথে টুরিস্ট পুলিশ টিম হাজির হবে। এবার ঈদে কক্সবাজারে আসা পর্যটকরা এমন নিরাপত্তা সেবা উপভোগ করতে পারবেন। চুরি, ছিনতাই , হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্রসহ একাধিক বিষয়ে সেবা নিশ্চিত করা যাবে পুলিশের এই ব্যতিক্রম উদ্যোগ। ট্যুরিস্ট পুলিশের এমন উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়েছে ভ্রমন প্রেমী নেটিজেনরা। বিগত সময়ে এমন উদ্যেগগুলো না থাকায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে হরেক রকম চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটিয়েছে। যার মধ্যে ছিল পর্যটকের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র চুরি, ছিনতাই নারীদের হয়রানিসহ একাধিক ঘটনা। এবিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ (কক্সবাজার রিজিয়ন) বলেন, সমুদ্র সৈকতের সকল ধরনের নিরাপত্তা জোরদার করতে সবসময় বদ্ধপরিকর। সৈকতে কেউ নাশকতা করলে ইমার্জেন্সি কল সেন্টার থেকে সরাসরি সেবা উপভোগ করতে পারবে। নির্দিষ্ট স্থানে দেওয়া বাটনে ক্লিক করলেই মুহূর্তের মধ্যেই পাওয়া যাবে পর্যটন সেবা। ধাপে ধাপে পর্যটকদের জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। পুরো সমুদ্র সৈকতকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেলে সাজানো হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা। ট্যুরিস্ট পুলিশ সবসময় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাগ্রে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।ইন্টারকম সংযুক্ত ডিজিটাল নিরাপত্তার আওতায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ইমার্জেন্সি সিকিউরিটি বক্স উদ্বোধন করেন কক্সবাজার রিজিয়ন টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। শুধু তাই নয়, সাদা পোশাকধারী নারী পুরুষ মিলে একাধিক ট্যুরিস্ট পুলিশের গোয়েন্দা টিমের টহল জোরদার করা হবে। পাশাপাশি দিনের বেলায় ড্রোন ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হবে।
০৯ এপ্রিল ২০২৪ ০৬:৩৪ এএম
মো. বাদল হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের বেলাভূমি সাগরকন্যা পর্যটকদের কাছে দিনে দিনে প্রিয় হয়ে উঠছে। প্রকৃতির ছোয়া পেতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটার সুবিশাল সমুদ্র এবং একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত উপভোগ করা দেখার জন্য মানুষ ছুটে আসছে দেশের বিভিন্ন এলাকায় থেকে।এখানে দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। সামনে রমজানের বন্ধ এবং স্কুল কলেজের বাৎসরিক কর্যক্রমের অংশ হিসেবে শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে হাজার হাজার পর্যটকদের পদচারণায় তিল ধারণের ঠাই নেই কুয়াকাটায়। দীর্ঘ সৈকতে লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি। পাখির কলকাকলি। সৈকতে বিছানো সারি সারি ঝিনুক। আর লাল কাকড়ার অবাধ বিচরণে ফুটে উঠেছে আল্পনা। এইসব দৃশ্য উপভোগ করতে কুয়াকাটায় ইতোমধ্যে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক হয়েছে।১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল থেকেই পর্যটকবাহী গাড়িতে কানায় কানায় পূর্ণ কুয়াকাটার পর্যটক পার্কিং গুলো। কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল। রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে দীর্ঘদিন পর্যটক শূন্য ছিলো পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা।শুক্রবার সকাল থেকে দীর্ঘ ৩২ কিলোমিটার সৈকত রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে। হালকা হিমেল বাতাসে আগত পর্যটকরা সৈকতের বালিয়াড়িতে নোনা জলে গাঁ ভাসিয়ে আনন্দ উন্মাদনায় মেতেছেন। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছে এ বছরের সবচেয়ে বেশি পর্যটক হয়েছে আজকে।সকাল বেলার শীতের রেস কাটতে না কাটতেই সৈকতের পানিতে গোসল ও উল্লাসে মেতেছে হাজারো পর্যটক। রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের আগমনে অনেকটা উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। এদিকে আগতদের সার্বিক নিরাপত্তায় মাঠে ট্যুরিষ্ট পুলিশের তৎপরতা লক্ষ করা গেছে।হোটেল-মোটেল অউনার এসোসিয়েশন সাধারণত সম্পাদক মো. মোতালেব শরীফ জানান, গতকালই আমাদের শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে। এখন আর আমাদের পর্যটকদের কাঙ্খিত রুম দেওয়ার সুযোগ নেই।খুলনা থেকে আশা সাকিব বলেন, অল্প সময়ে মধ্যে কুয়াকাটায় এসে পৌঁছেছি। এখানকার পরিবেশ বেশ ভালোই লাগছে। তবে সৈকতটিব পরিবেশ অনেক সুন্দর হওয়া দরকার বলে মনে করছি।ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ কুয়াকাটা ‘টোয়াক’র সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন পর এতো বেশি পর্যটক দেখে ব্যবসায়ীরাও অনেকটা উচ্ছ্বসিত। এভাবে প্রতিনিয়ত সৈকতে পর্যটক থাকলে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা পেছনের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবে। ইতোমধ্যে কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল রিসোর্ট গুলো শতভাগ বুকিং হয়েগেছে।কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুল হক ডাবলু বলেন, পর্যটকের চাপ একটু বেশি রয়েছে। তাই পর্যটকের নিরাপত্তায় বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া মাঠে টহল টিম কাজ করছে। কুয়াকাটার প্রত্যেকটি পর্যটন স্পটে আমাদের টিম রয়েছে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে থাকি আমরা।
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩৯ পিএম
মো. বাদল হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের বেলাভূমি সাগরকন্যা পর্যটকদের কাছে দিনে দিনে প্রিয় হয়ে উঠছে। প্রকৃতির ছোয়া পেতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটার সুবিশাল সমুদ্র এবং একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত উপভোগ করা দেখার জন্য মানুষ ছুটে আসছে দেশের বিভিন্ন এলাকায় থেকে।এখানে দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। সামনে রমজানের বন্ধ এবং স্কুল কলেজের বাৎসরিক কর্যক্রমের অংশ হিসেবে শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে হাজার হাজার পর্যটকদের পদচারণায় তিল ধারণের ঠাই নেই কুয়াকাটায়। দীর্ঘ সৈকতে লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি। পাখির কলকাকলি। সৈকতে বিছানো সারি সারি ঝিনুক। আর লাল কাকড়ার অবাধ বিচরণে ফুটে উঠেছে আল্পনা। এইসব দৃশ্য উপভোগ করতে কুয়াকাটায় ইতোমধ্যে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক হয়েছে।১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল থেকেই পর্যটকবাহী গাড়িতে কানায় কানায় পূর্ণ কুয়াকাটার পর্যটক পার্কিং গুলো। কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল। রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে দীর্ঘদিন পর্যটক শূন্য ছিলো পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা।শুক্রবার সকাল থেকে দীর্ঘ ৩২ কিলোমিটার সৈকত রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে। হালকা হিমেল বাতাসে আগত পর্যটকরা সৈকতের বালিয়াড়িতে নোনা জলে গাঁ ভাসিয়ে আনন্দ উন্মাদনায় মেতেছেন। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছে এ বছরের সবচেয়ে বেশি পর্যটক হয়েছে আজকে।সকাল বেলার শীতের রেস কাটতে না কাটতেই সৈকতের পানিতে গোসল ও উল্লাসে মেতেছে হাজারো পর্যটক। রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের আগমনে অনেকটা উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। এদিকে আগতদের সার্বিক নিরাপত্তায় মাঠে ট্যুরিষ্ট পুলিশের তৎপরতা লক্ষ করা গেছে।হোটেল-মোটেল অউনার এসোসিয়েশন সাধারণত সম্পাদক মো. মোতালেব শরীফ জানান, গতকালই আমাদের শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে। এখন আর আমাদের পর্যটকদের কাঙ্খিত রুম দেওয়ার সুযোগ নেই।খুলনা থেকে আশা সাকিব বলেন, অল্প সময়ে মধ্যে কুয়াকাটায় এসে পৌঁছেছি। এখানকার পরিবেশ বেশ ভালোই লাগছে। তবে সৈকতটিব পরিবেশ অনেক সুন্দর হওয়া দরকার বলে মনে করছি।ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ কুয়াকাটা ‘টোয়াক’র সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন পর এতো বেশি পর্যটক দেখে ব্যবসায়ীরাও অনেকটা উচ্ছ্বসিত। এভাবে প্রতিনিয়ত সৈকতে পর্যটক থাকলে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা পেছনের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবে। ইতোমধ্যে কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল রিসোর্ট গুলো শতভাগ বুকিং হয়েগেছে।কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুল হক ডাবলু বলেন, পর্যটকের চাপ একটু বেশি রয়েছে। তাই পর্যটকের নিরাপত্তায় বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া মাঠে টহল টিম কাজ করছে। কুয়াকাটার প্রত্যেকটি পর্যটন স্পটে আমাদের টিম রয়েছে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে থাকি আমরা।
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩৯ পিএম
মো. বাদল হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের বেলাভূমি সাগরকন্যা পর্যটকদের কাছে দিনে দিনে প্রিয় হয়ে উঠছে। প্রকৃতির ছোয়া পেতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটার সুবিশাল সমুদ্র এবং একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত উপভোগ করা দেখার জন্য মানুষ ছুটে আসছে দেশের বিভিন্ন এলাকায় থেকে।এখানে দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। সামনে রমজানের বন্ধ এবং স্কুল কলেজের বাৎসরিক কর্যক্রমের অংশ হিসেবে শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে হাজার হাজার পর্যটকদের পদচারণায় তিল ধারণের ঠাই নেই কুয়াকাটায়। দীর্ঘ সৈকতে লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি। পাখির কলকাকলি। সৈকতে বিছানো সারি সারি ঝিনুক। আর লাল কাকড়ার অবাধ বিচরণে ফুটে উঠেছে আল্পনা। এইসব দৃশ্য উপভোগ করতে কুয়াকাটায় ইতোমধ্যে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক হয়েছে।১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল থেকেই পর্যটকবাহী গাড়িতে কানায় কানায় পূর্ণ কুয়াকাটার পর্যটক পার্কিং গুলো। কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল। রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে দীর্ঘদিন পর্যটক শূন্য ছিলো পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা।শুক্রবার সকাল থেকে দীর্ঘ ৩২ কিলোমিটার সৈকত রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে। হালকা হিমেল বাতাসে আগত পর্যটকরা সৈকতের বালিয়াড়িতে নোনা জলে গাঁ ভাসিয়ে আনন্দ উন্মাদনায় মেতেছেন। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছে এ বছরের সবচেয়ে বেশি পর্যটক হয়েছে আজকে।সকাল বেলার শীতের রেস কাটতে না কাটতেই সৈকতের পানিতে গোসল ও উল্লাসে মেতেছে হাজারো পর্যটক। রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের আগমনে অনেকটা উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। এদিকে আগতদের সার্বিক নিরাপত্তায় মাঠে ট্যুরিষ্ট পুলিশের তৎপরতা লক্ষ করা গেছে।হোটেল-মোটেল অউনার এসোসিয়েশন সাধারণত সম্পাদক মো. মোতালেব শরীফ জানান, গতকালই আমাদের শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে। এখন আর আমাদের পর্যটকদের কাঙ্খিত রুম দেওয়ার সুযোগ নেই।খুলনা থেকে আশা সাকিব বলেন, অল্প সময়ে মধ্যে কুয়াকাটায় এসে পৌঁছেছি। এখানকার পরিবেশ বেশ ভালোই লাগছে। তবে সৈকতটিব পরিবেশ অনেক সুন্দর হওয়া দরকার বলে মনে করছি।ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ কুয়াকাটা ‘টোয়াক’র সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন পর এতো বেশি পর্যটক দেখে ব্যবসায়ীরাও অনেকটা উচ্ছ্বসিত। এভাবে প্রতিনিয়ত সৈকতে পর্যটক থাকলে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা পেছনের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবে। ইতোমধ্যে কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল রিসোর্ট গুলো শতভাগ বুকিং হয়েগেছে।কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুল হক ডাবলু বলেন, পর্যটকের চাপ একটু বেশি রয়েছে। তাই পর্যটকের নিরাপত্তায় বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া মাঠে টহল টিম কাজ করছে। কুয়াকাটার প্রত্যেকটি পর্যটন স্পটে আমাদের টিম রয়েছে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে থাকি আমরা।
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৩৯ পিএম
মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর বিশ্বেশ্বরী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন অতিরিক্ত আইজিপি ও ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)।১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে তিনি ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় পৌঁছান। এ সময় জেলা পুলিশের পক্ষে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহ্সান শাহ্।পরে অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মধ্যনগর বিশ্বেশ্বরী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে দৃষ্টি নন্দন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন ট্যুরিস্ট পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি আবু সুফিয়ান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রাজন কুমার দাস, এসপি সার্কেল (ধর্মপাশা) আলী ফরিদ আহমেদ, মধ্যনগরন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরান হোসেন, ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক রমাপদ চক্রবর্তী, সিনিয়র প্রভাষক জসিম উদ্দিন মোল্লা, সাবেক চেয়ারম্যান প্রবীর বিজয় তালুকদার, শিক্ষক অজয় রায়, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অনুজ দে, যুবলীগ সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, মধ্যনগর প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সুরঞ্জন তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক আতাউর রহমান বাশার প্রমুখ।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৭:৩২ এএম