লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলায় ৮ কেজি ওজনের একটি শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলা চর গাজী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চেরাঙ্গের দোকানের সামনে একটি জালে আটকা পড়ে এই শকুনটি।৪ ফেব্রুয়ারি রোববার সকালবেলা স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে জাল থেকে মুক্ত করে শকুনটিকে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ শকুনটিকে দেখতে ভিড় জমায়। তিনদিন আগেও কেরামতিয়া বাজারের পাশে একটি শকুন ট্রাকের সাথে বাড়ি খেয়ে রাস্তায় পড়ে গিয়েছিল। পরে স্থানীয়রা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে খবর দেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম শকুনটিকে নিয়ে চিকিৎসা করেন। সুস্থ হওয়ার পর বন কর্মকর্তারা শকুনটিকে ভয়ার চরে নিয়ে মুক্ত করে দেন।স্থানীয়দের ধারণা, ভয়ার চরে নিয়ে মুক্ত করা শকুনটিই আবার ফিরে এসেছে। বয়সের কারণে হয়তো এটি আর আগের মতো উড়তে পারে না। তাই এটি আবারও লোকালয়ে ফিরে এসেছে।সাধারণত মৃত প্রাণিই এদের খাদ্য। এরা আকাশের অনেক উঁচু থেকেও মৃত প্রাণির সন্ধান করতে পারে। এরা দীর্ঘ সময় আকাশে উড়তে পারে। একসময় এদেশে প্রচুর পরিমাণে শকুন দেখা গেলেও বর্তমানে এরা অনেকটাই বিলুপ্তির পথে।রামগতি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনদিন আগে একটি শকুন ট্রাকের সাথে বাড়ি খেয়ে বেড়ির উপরে পড়ে যায়। পরে সেটিকে এনে আমরা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে বিভিন্নভাবে চিকিৎসা দেই।তিনি বলেন, শকুনটি আগে থেকে একটি চোখ অন্ধ ছিল এবং এটির অনেক বয়স হয়েছে। হয়তো সেই শকুনটি উড়তে না পেরে আবারও লোকালয়ে এসে আটকা পড়েছে।খোঁজখবর নিয়ে শকুনটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিয়ে সংরক্ষণ করার আশ্বাস দেন রামগতি উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৬:৫৩ এএম
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এক বিপন্ন প্রজাতির শকুনের দেখা মিলেছে। ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের তেলিপাড়ায় ওই শকুনটি দেখতে পেয়ে এলাকার লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করেন।পরে ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ডোমার রেঞ্জ বন কর্মকর্তা আব্দুল হাই এসে শকুনটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়ন।বন কর্মকর্তা আব্দুল হাই জানান, শকুনটির পায়ে কেউ আঘাত করেছে। এ কারণে সে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। শকুনটি বর্তমানে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।২৮ ডিসেম্বর রাতে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, উদ্ধার করা শকুনটিকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্ করার চেষ্টা চলছে।ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম জানান, শকুনটি সুস্থ হলে বন্যপ্রাণি দপ্তরের সাথে আলোচনা করে অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:০৭ এএম
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এক বিপন্ন প্রজাতির শকুনের দেখা মিলেছে। ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের তেলিপাড়ায় ওই শকুনটি দেখতে পেয়ে এলাকার লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করেন।পরে ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ডোমার রেঞ্জ বন কর্মকর্তা আব্দুল হাই এসে শকুনটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়ন।বন কর্মকর্তা আব্দুল হাই জানান, শকুনটির পায়ে কেউ আঘাত করেছে। এ কারণে সে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। শকুনটি বর্তমানে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।২৮ ডিসেম্বর রাতে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, উদ্ধার করা শকুনটিকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্ করার চেষ্টা চলছে।ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম জানান, শকুনটি সুস্থ হলে বন্যপ্রাণি দপ্তরের সাথে আলোচনা করে অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:০৭ এএম
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস-২০২৩ উপলক্ষে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে শহরের শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ মৌলভীবাজারের উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বনবিভাগের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্তি সচিব ইকবাল আবদুল্লাহ হারু।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রভাংশু সোম মোহন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ, আইইউসিএনের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার এ.বি.এম. সরোয়ার আলম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্যানেল মেয়র মো. নাহিদ হোসেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলাম, আইইউসিএনের কান্ট্রি রিপ্রিজেন্টেটিভ রকিবুল আমিন প্রমুখ।এ সময় বক্তরা বলেন, দেশে এখন ২৬০টি শকুনের অস্তিত্ব রয়েছে। শুন্দরবনের পর শকুনের সবচেয় নিরাপদ আবাসস্থল হলো সিলেট অঞ্চল। সিলেটের চুনারুঘাটের রেমা-কারেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে এখনও বেশ কিছু শকুন বাস করে। উচু গাছপালা কাটা বন্ধ করতে এবং ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার বন্ধে সাবার প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।একই সঙ্গে তারা বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে। অন্যথায় দেশ থেকে শকুন একেবারে বিপুল্প হয়ে যাবে। আলোচনা সভায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৯:৪৫ এএম