খাগড়াছড়িতে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা উদযাপন
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও নানান আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা। জ্ঞানের আলো পৃথিবীময় ছড়িয়ে দিতে আবারও পৃথিবীতে অবতার করেছেন বিদ্যার দেবী সরস্বতী।১৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার সারা দেশের মতো খাগড়াছড়িতেও সকাল ১০টার দিকে সনাতম ধর্মাবলম্বীদের বাৎসরিক এ উৎসব শুরু হয় । শীতের হিমেল হাওয়ায় উদ্বেলিত ধরনী, কুয়াশা মাখা শিউলি, জবা, গাঁদা আর নানা ফুলের সুভাসে আগমন হয় দেবী সরস্বতীর। বিদ্যা লাভের আশায় সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ পূজার আয়োজন করে। আর বিদ্যা লাভের আশায় আরাধনা করে সরস্বতী দেবীর পাদপদ্মে সকলে একসাথে পুষ্পাঞ্জলি দেন। প্রতি বছরের মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এবার খাগড়াছড়ি সদরের কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী লক্ষীণরায়ণ মন্দির, আনন্দ নগর শ্রী শ্রী ভূবণেশ্বরী কালী মন্দির, শান্তি নগর শ্রী শ্রী গীতা আশ্রম, শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সেবা আশ্রম, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ, খাগড়াছড়ি মহিলা কলেজসহ বেশ বড় পরিসরে সরস্বতী পূজা পালিত হচ্ছে।এছাড়া জেলা সদরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে ২০টিসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টিরও বেশি স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হচ্ছে বিদ্যাদেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা। মধ্য রাতে প্রতিমা স্থাপন করে পূজার আনুষ্ঠানিকতার সূচনা হয়।হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সকালে দেবীকে দুধ, মধু, দই, ঘি, কর্পূর, চন্দন দিয়ে স্নান করানোর পর সকাল নয়টা থেকে শুরু হয় বাণী অর্চনা। দেবীর সামনে ‘হাতেখড়ি’ দিয়ে শিশুদের বিদ্যাচর্চার সূচনাও করা হয় অনেকস্থানে। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন মন্ডপে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।