মো. সিদ্দিকুর রহমান ইমন, মাধবদী ( নরসিংদী) প্রতিনিধি: নরসিংদী মাধবদীতে সড়কগুলো হয়ে উঠেছে মরণ ফাঁদ। ইটভাটার গাড়ি থেকে রাস্তায় মাটি পড়েই তৈরি হচ্ছে ভয়ংকর অবস্থা। ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারি ও গাড়ি চালকদের। ইটভাটার ট্রাক থেকে পড়ে যাওয়া মাটি জমে থাকছে সড়কে। সামান্য বৃষ্টিতে সেই মাটিযুক্ত সড়ক হচ্ছে মরণফাঁদ। যানবাহন পিছলে গিয়ে হচ্ছে ঘটছে দুর্ঘটনা।কর্তৃপক্ষ বলছেন, ইটভাটার মাটিতে জেলার অর্ধেক সড়কই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক ব্যবহারের অনুপোযোগি হয়ে পড়ছে। যানবাহন চলাচলের দৃশ্য দেখে মনে হতে পারে কাদামাটির সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। আসলে এগুলো পাকা সড়ক। সড়কে জমে থাকা কাদামাটির উপর বৃষ্টি পড়ায় এমন বেহালদশায় পরিণত হয়েছে।নরসিংদী সদর উপজেলার পাইকারচর ইউনিয়ন এর বালাপুর ও মেঘনা বাজারের সড়কের চিত্র এগুলো।ইটভাটার মাটিবাহী ট্রাক থেকে মাটি পড়ে এমনটি হয়েছে। এরই মধ্যে ঝুকি নিয়ে চলছে যানবাহন। ছোট-বড় দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত। এসব সড়কে বেশি দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে দুই ও তিন চাকার যানবাহন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও সিএনজি। পথচারি ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে বিড়ম্বনা।মাধবদীতে আবদুল্লাহ বাজারসহ বালাপুর ও মেঘনা বাজারের পাকা সড়ক ইটভাটার মাটি পড়ে এমন অনুপযোগি হয়ে পড়ছে। ফলে সড়কের স্থায়িত্ব কমে যাচ্ছে।এ বিষয়ে নরসিংদী সদরের উপজেলা ইঞ্জি. মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, ইটভাটার মালিকদের আইন না মেনে চলা ও তাদের একতরফা, একঘেয়েমির কারণেই এমন দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে এলাকাবসী। আমরা খুব শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নিবো।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমির সাথেই গড়ে ওঠেছে এই ইটভাটা গুলো। কিরণের ‘এসটিসি’, মনমোহন ও খগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথের ‘জিবিসি’, জাকের ভূইয়ার ‘জেএইচবি’, আলমগীর হোসেন সুমনের এসবিই, আব্দুল হাইয়ের ‘এমএএইচ’ নামক পাঁচটি ইটভাটার কালো ধূয়াঁয় বিষাক্ত ভাটা নগরে পরিণত হয়েছে মাধবদীর বালাপুর ও মেঘনাবাজার। যার বিষক্রিয়ায় ধ্বংস হচ্ছে ফসলি জমিসহ পরিবেশ।এ বিষয়ে পাইকারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ইটভাটার মাটি পড়ে চলাচলের রাস্তা গুলো এমন ভয়ংকর অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে, আমি খুব শিগগিরই তাদের নোটিশ করবো।উল্লেখ্য, সম্প্রতি জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিলো মহাসড়কে উন্মুক্ত ট্রাকে মাটি পরিবহণ করা যাবে না। কিন্তু তা মানছেন না ইটভাটা মালিকরা।
০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০১:৫৩ পিএম
নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি: সড়কটি দিয়ে প্রতিদিনই স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ থানা পুলিশ ও গুরুত্বপূর্ণ অফিসে যাতায়াত করেন মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এই স্থানটি পড়ে আছে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে। অল্প বৃষ্টি হলেই জমে হাঁটু পানি।বলছি, ঢাকার নবাবগঞ্জের স্বাধীনতা ভাস্কর্য এলাকা থেকে নবাবগঞ্জ থানা ও সরকারি দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ সড়কের কথা। নবাবগঞ্জের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। থানা গেইটের পর থেকে আরসিসি ঢালাই হয় ডাচ্ বাংলা ব্যাংক পর্যন্ত। কিন্তু এরপর থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় দুইশ’ মিটার সড়ক আর সংস্কার করা হয়নি, ফলে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এখানে। এমনকি বৃষ্টি ছাড়াও মার্কেটের ময়লা পানি এসে সড়কে দুর্গন্ধ ছড়ায়।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একটু বৃষ্টি হলে ইসলামি ব্যাংকের সামনে গুরুত্বপূর্ণ এই জায়গাটিতে পানি জমে থাকে। পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পায়ে হেঁটে চলাচল করতে হয় ঝুঁকি নিয়ে। ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও অনান্য গাড়ি চলাচলে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল জ্যামে পড়ে পানির কারণে বন্ধ হয়ে যায়।দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের শিক্ষার্থী মারুফ ও শিবলু এশিয়ান টিভি অনলাইনকে বলেন, আমরা নিয়মিত কলেজে আসি। পুরো রাস্তা ভালো হলেও ইসলামি ব্যাংকের সামনে বৃষ্টি হলে পানি জমে থাকে। মাঝে মাঝে পায়ে হেঁটে চলাচল করতেও অনেক কষ্ট হয়।তারা আরও বলেন, কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই সড়কটির এই অবস্থা দেখছি। আমরা চাই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা হোক।এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার হক চৌধুরী এশিয়ান টিভি অনলাইনকে বলেন, এই সড়কটি টেন্ডার হয়েছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান খুব দ্রুত কাজ সম্পন্ন করবে।নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু এশিয়ান টিভি অনলাইনকে বলেন, নবাবগঞ্জের মধ্যে এই সড়কটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এর আগেও পানি জমে জলাবদ্ধতা হওয়ায় স্থানীয় প্রকৌশলীসহ ইউপি চেয়ারম্যানকে নিয়ে পরিদর্শন করা হয়েছে এবং দ্রুত কাজের জন্য এলজিইডিকে বলা হয়েছে।
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:১৫ এএম
সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক অসংখ্য ছোট-বড় খানাখন্দে ভরে গেছে। এর মধ্যে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার রাস্তার পিচ বিভিন্ন স্থানে উঠে গেছে। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি কয়েক বছর ধরে সংস্কারের অভাবে যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কটির জীর্ণদশার কারণে যাত্রী পরিবহণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটির প্রায় ১৫ কিলোমিটারই খানাখন্দে ভরে গেছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং, গোয়াইনঘাট সদর, লেঙ্গুড়া, বিছনাকান্দি, রুস্তুমপুর, তোয়াকুল ও নন্দিরগাওঁ ইউনিয়নের প্রায় আড়াই লক্ষাধিক মানুষের চলাচলের প্রধান রাস্তা সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক। অনেকটা মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই এ সড়কে চলাচল করছেন স্থানীয়রা । এছাড়া প্রতিদিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মজীবী মানুষের চলাচলের পাশাপাশি বিছনাকান্দি ও পান্তুমাই পর্যটনকেন্দ্রে দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটে এ সড়কে।সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের সালুটিকর বাজার থেকে তোয়াকুল ইউনিয়নের পেকেরখাল ব্রিজ পর্যন্ত ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কারের দাবি জানানে হলেও কতৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থাই গ্রহণ করছে না।জমির মিয়া নামের স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশা। এ সড়ক দিয়ে যানবাহনের চালকরা সহজে যেতে চান না, বৃষ্টি হলে তো কথায় নেই। কাদা পানিতে পুরো রাস্তা যেন ধান খেতে পরিণত হয়।এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ ২০১৬ সালে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কটি সংস্কার করা হয়েছিলো। সালুটিকর-গোয়াইনঘাট ২৪ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার শেষ না হতে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সড়কটির বেশিরভাগ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায়ও এ সড়কটি বিপর্যস্ত হয়। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ সড়কটি পরিদর্শন করেন। এসময় গুরকচি-গোয়াইনঘাট সদর পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারে সাড়ে ৫ কোটি টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়। এ অংশের সংস্কার সমাপ্তির পথে, অন্যদিকে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নয়াবাজার সংলগ্ন হাটগাং সেতু, তোয়াকুল সিএনজি স্টপেজ সংলগ্ন ২ কোটি টাকা ব্যয়ে তোয়াকুল সেতু এবং বঙ্গবীর পয়েন্ট সংলগ্ন আরও ২ কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবীর সেতুর বরাদ্দ দেন। এগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। তবে ৩ টি সেতুর এপ্রোচ সড়কের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি।এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (স্থানীয় সরকার বিভাগ) রফিকুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কের গুরকচি থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়াও সড়কটির তোয়াকুল অটোরিকশা সিএনজি স্টপেজ থেকে বঙ্গবীর পয়েন্ট পর্যন্ত সংস্কার কাজে টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন আছে। সালুটিকর হতে তোয়াকুল পর্যন্ত বাকি রাস্তা টেকসই ও মজবুত করার লক্ষ্যে সংশোধিত প্রাক্কলন নির্বাহী প্রকৌশলীর মাধ্যমে ঢাকায় এলজিইডির এডিবি প্রকল্প অফিসে পাঠানো হয়েছে। সংশোধিত প্রাক্কলন অনুমোদিত হলে রাস্তার বাকি কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় প্রতিবছর সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কের সিংহভাগ অংশ তলিয়ে যায়। বন্যার পানি সড়ক থেকে নামার পর ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২৪ আগস্ট ২০২৩ ০৯:১৭ এএম
সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক অসংখ্য ছোট-বড় খানাখন্দে ভরে গেছে। এর মধ্যে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার রাস্তার পিচ বিভিন্ন স্থানে উঠে গেছে। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি কয়েক বছর ধরে সংস্কারের অভাবে যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কটির জীর্ণদশার কারণে যাত্রী পরিবহণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটির প্রায় ১৫ কিলোমিটারই খানাখন্দে ভরে গেছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং, গোয়াইনঘাট সদর, লেঙ্গুড়া, বিছনাকান্দি, রুস্তুমপুর, তোয়াকুল ও নন্দিরগাওঁ ইউনিয়নের প্রায় আড়াই লক্ষাধিক মানুষের চলাচলের প্রধান রাস্তা সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক। অনেকটা মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই এ সড়কে চলাচল করছেন স্থানীয়রা । এছাড়া প্রতিদিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মজীবী মানুষের চলাচলের পাশাপাশি বিছনাকান্দি ও পান্তুমাই পর্যটনকেন্দ্রে দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটে এ সড়কে।সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের সালুটিকর বাজার থেকে তোয়াকুল ইউনিয়নের পেকেরখাল ব্রিজ পর্যন্ত ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কারের দাবি জানানে হলেও কতৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থাই গ্রহণ করছে না।জমির মিয়া নামের স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশা। এ সড়ক দিয়ে যানবাহনের চালকরা সহজে যেতে চান না, বৃষ্টি হলে তো কথায় নেই। কাদা পানিতে পুরো রাস্তা যেন ধান খেতে পরিণত হয়।এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ ২০১৬ সালে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কটি সংস্কার করা হয়েছিলো। সালুটিকর-গোয়াইনঘাট ২৪ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার শেষ না হতে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সড়কটির বেশিরভাগ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায়ও এ সড়কটি বিপর্যস্ত হয়। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ সড়কটি পরিদর্শন করেন। এসময় গুরকচি-গোয়াইনঘাট সদর পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারে সাড়ে ৫ কোটি টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়। এ অংশের সংস্কার সমাপ্তির পথে, অন্যদিকে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নয়াবাজার সংলগ্ন হাটগাং সেতু, তোয়াকুল সিএনজি স্টপেজ সংলগ্ন ২ কোটি টাকা ব্যয়ে তোয়াকুল সেতু এবং বঙ্গবীর পয়েন্ট সংলগ্ন আরও ২ কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবীর সেতুর বরাদ্দ দেন। এগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। তবে ৩ টি সেতুর এপ্রোচ সড়কের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি।এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (স্থানীয় সরকার বিভাগ) রফিকুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কের গুরকচি থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়াও সড়কটির তোয়াকুল অটোরিকশা সিএনজি স্টপেজ থেকে বঙ্গবীর পয়েন্ট পর্যন্ত সংস্কার কাজে টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন আছে। সালুটিকর হতে তোয়াকুল পর্যন্ত বাকি রাস্তা টেকসই ও মজবুত করার লক্ষ্যে সংশোধিত প্রাক্কলন নির্বাহী প্রকৌশলীর মাধ্যমে ঢাকায় এলজিইডির এডিবি প্রকল্প অফিসে পাঠানো হয়েছে। সংশোধিত প্রাক্কলন অনুমোদিত হলে রাস্তার বাকি কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় প্রতিবছর সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কের সিংহভাগ অংশ তলিয়ে যায়। বন্যার পানি সড়ক থেকে নামার পর ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২৪ আগস্ট ২০২৩ ০৯:১৭ এএম