রৌমারীতে চরাঞ্চল প্লাবিত, নদীভাঙ্গনে বাড়িঘর হারিয়েছে ২০টি পরিবার

রৌমারীতে চরাঞ্চল প্লাবিত, নদীভাঙ্গনে বাড়িঘর হারিয়েছে ২০টি পরিবার

...

প্রকাশ : ১ বছর আগে

আপডেট : ১ বছর আগে

রৌমারীতে চরাঞ্চল প্লাবিত,  নদীভাঙ্গনে বাড়িঘর হারিয়েছে ২০টি পরিবার

রৌমারীতে চরাঞ্চল প্লাবিত, নদীভাঙ্গনে বাড়িঘর হারিয়েছে ২০টি পরিবার

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টির সাথে সাথে ব্রহ্মপুত্র নদীতে পানি বৃদ্ধি ও তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে রৌমারীর চরাঞ্চল।৫ জুন বুধবার সকাল ১০টার দিকে রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের ফুলুয়ারচর, পশ্চিম ফুলুয়ারচর, পালেরচর ও চরশৌমারী ইউনিয়নের সোনাপুর, ঘুঘুমারী, সুখেরবাতি, উত্তর খেদাইমারী, উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের খেয়ারচর, সাহেবের আলগা, দইখাওয়া এলাকা সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এসব চিত্র।গত কয়েকদিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে চরাঞ্চল তলিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল পানির নিচে ডুবে গেছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে নদীতে তীব্র ভাঙ্গন। গত এক সপ্তাহে ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নদীতে বিলীন হয়েছে ২০টি পরিবারের সহায় সম্বল। অপর দিকে মরিচের টাল, তিল, চিনা, কাউন, পাট, রাধুনী হজ ও শাকসবজির জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।ফলুয়ারচর গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঋণ করে তিল, চিনা, কাউন ও মরিচের টাল করেছিলাম। কয়দিন ধরে বৃষ্টি থাকায় জমিতে যাই নাই। আজকে জমিতে গিয়ে দেখি আমার জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আমি এখন বউ বাচ্চানিয়ে কী খামু আর ঋণের টাকা কীভাবে শোধ দিমু?’সোনাপুর গ্রামের চাঁন মিয়া বলেন, ‘আমার ঘরবাড়ি নদীতে ভেসে গেছে। আমার বাড়ি করার মতো জায়গা নাই, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোথায় যাব তার কোনো নিশানা পাইতেছি না। সরকারি-বেসরকারিভাবে কোন সাহায্যও পাই না।’ফলুয়ার চর গ্রামের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে তলিয়ে গেছে অনেকের আবাদী ফসল।’বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের সরকার বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের তিন চারটি গ্রামে পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। চরের আবাদগুলা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।’রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, ‘কয়েকদিন থেকে বৃষ্টি ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে পানি বাড়ার সাথে সাথে উপজেলার কয়েকটি গ্রামে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। আমি ইতিমধ্যে কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চালাচ্ছি। ভাঙ্গন কবলিত মানুষগুলো চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে আবেদন দিলে তাদের পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করবো।’
  • শেয়ার করুন-

সংশ্লিষ্ট

সৈয়দপুরে বিভিন্ন দাবিতে রংপুর বিভাগীয় ইটভাটা মালিক সমিতির সমাবেশ

সৈয়দপুরে বিভিন্ন দাবিতে রংপুর বিভাগীয় ইটভাটা মালিক সমিতির সমাবেশ

ফকিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী নিহত

ফকিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী নিহত

নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সাংবাদিক রিজুর ওপর হামলার প্রতিবাদে খোকসায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

সাংবাদিক রিজুর ওপর হামলার প্রতিবাদে খোকসায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাজীবপুরে খোলা আকাশের নিচে ৩০ পরিবার

রাজীবপুরে খোলা আকাশের নিচে ৩০ পরিবার

সিলেটে ফের বন্যায় ৫ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

সিলেটে ফের বন্যায় ৫ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

রাঙ্গাবালীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত

রাঙ্গাবালীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত

কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিলীন শতশত পরিবার

কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিলীন শতশত পরিবার

নদী ভাঙ্গনের কবলে নড়াইলের পাজারখালী মহাশ্মশান

নদী ভাঙ্গনের কবলে নড়াইলের পাজারখালী মহাশ্মশান

মন্তব্য করুন