আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জেনেভা-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইউরো-মেড অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসনের চার মাসে মৃত্যু ও ধ্বংসের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।এতে বলা হয়েছে- প্রায় এক লাখ দশ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত, নিখোঁজ এবং আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বহু মানুষ আজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন।৪ ফেব্রুয়ারি রোববার ইউরো-মেড এই তথ্য প্রকাশ করে। সংস্থাটির রিপোর্ট অনুসারে, গাজায় মোট ৩৫ হাজার ৯৬ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ৩২ হাজার ২২০ জন বেসামরিক নাগরিক। নিহতদের মধ্যে ১২ হাজার ৩৪৫টি শিশু, ৭,৬৫৬ জন নারী, ৩০৯ জন স্বাস্থ্যকর্মী, ৪১ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং এবং ১২১ জন সাংবাদিক রয়েছেন।প্রতিবেদনটিতে ইসরাইলি আগ্রাসনের মুখে যারা নিখোঁজ রয়েছেন তাদেরকেও নিহত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ইসরাইলি বিমান ও আর্টিলারি হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর নিচে আটকা পড়া লোকজনকে মৃত বলে ধরে নেয়া হয়েছে।ইউরো-মেড বলেছে, ইসরাইলের আগ্রাসনে আহতদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ২৪০ জনে, যার মধ্যে কয়েকশ’ মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।এদিকে, গত সপ্তাহে হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ ঠেকানোর জন্য ইসরাইলকে নির্দেশ দেয়া সত্ত্বেও সে ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি তেল আবিব। ইউরো-মেড তাদের রিপোর্টে বলেছে, আন্তর্জাতিক আদালত রুলিং দেয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে ইসরাইল ১,১৪৮ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। এছাড়া, আহত হয়েছে ১,৮০০ মানুষ এবং এ সময়ে ইসরাইল ১০৮টি গণহত্যা চালিয়েছে। সূত্র: পার্সটুডে।
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:০৬ এএম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ‘গণহত্যার অপরাধে’ ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা দায়ের করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। গাজায় প্রায় তিন মাস ধরে অব্যাহতভাবে চালানো ধ্বংসযজ্ঞ ও বোমা হামলায় ২১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর এ মামলা করল দেশটি।২৯ ডিসেম্বর শুক্রবার আইসিজে আদালতে করা মামলার আবেদনে গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যামূলক’ উল্লেখ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটি বলেছে, ইসরাইল উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে জাতিগতভাবে ধ্বংস করেছে।গাজায় ফিলিস্তিনিদের হত্যাসহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং মানুষের জীবন বিপর্যস্ত করে তোলা হয়েছে বলেও মামলার আবেদনে বলা হয়।দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা গাজা ও দখল করা পশ্চিম তীরে ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে তার দেশে ১৯৯৪ সালে অবসান হওয়া শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘুদের বর্ণবাদী শাসনের জাতিগত বিভাজনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বেশ কিছু মানবাধিকার সংস্থাও বলেছে, ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের নীতি বর্ণবাদের শামিল।দক্ষিণ আফ্রিকা তার আবেদনে বলেছে, ইসরাইল গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় জাতিসংঘের ‘গণহত্যা কনভেনশন’ লঙ্ঘন করে আসছে। এ জন্য এ মামলার দ্রুত শুনানির আহ্বান জানানো হয়েছে। মামলার আবেদনে কনভেনশনের অধীনে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা, গুরুতর ও অপূরণীয় ক্ষতি থেকে রক্ষা করে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আদালতের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।
৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৫:৫৭ এএম
রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক বাবলাবন গণহত্যা দিবস পালন করেছে রাজশাহী প্রেসক্লাব ও জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ। ২৫ নভেম্বর শনিবার বিকেলে নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে দিবসটির স্মরণে এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।রাজশাহী প্রেসক্লাব ও জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ সভাপতি সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আসলাম-উদ-দৌলার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ জুলফিকার, মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ওয়ালিউর রহমান বাবু, সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ফারজানা হক প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ নভেম্বর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রাজশাহীতে স্বাধীনতাকামী ১৭ জন মানুষকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। বিজয়ের পরপর ৩১ ডিসেম্বর পদ্মাচর শ্রীরামপুর বাবলাবন এলাকা থেকে তাদের দড়িতে বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। অথচ, দিবসটি পালনে এবং শহিদদের স্মৃতি রক্ষায় নেই কোনো উদ্যোগ।এ সময় দেশের গৌরবময় ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নতুনভাবে উজ্জীবিত হওয়ার জন্যও আহ্বান জানান বক্তারা।
২৬ নভেম্বর ২০২৩ ০৩:১১ এএম
রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক বাবলাবন গণহত্যা দিবস পালন করেছে রাজশাহী প্রেসক্লাব ও জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ। ২৫ নভেম্বর শনিবার বিকেলে নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে দিবসটির স্মরণে এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।রাজশাহী প্রেসক্লাব ও জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ সভাপতি সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আসলাম-উদ-দৌলার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ জুলফিকার, মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ওয়ালিউর রহমান বাবু, সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ফারজানা হক প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ নভেম্বর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রাজশাহীতে স্বাধীনতাকামী ১৭ জন মানুষকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। বিজয়ের পরপর ৩১ ডিসেম্বর পদ্মাচর শ্রীরামপুর বাবলাবন এলাকা থেকে তাদের দড়িতে বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। অথচ, দিবসটি পালনে এবং শহিদদের স্মৃতি রক্ষায় নেই কোনো উদ্যোগ।এ সময় দেশের গৌরবময় ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নতুনভাবে উজ্জীবিত হওয়ার জন্যও আহ্বান জানান বক্তারা।
২৬ নভেম্বর ২০২৩ ০৩:১১ এএম