সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জে কুশিয়ারা নদীতে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।২৫ মে শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের ফতেহপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত দুইজন উপজেলার ফতেহপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের জয়নাল আহমদের শিশুকন্যা মাজেদা বেগম (৫) ও সুহেদা বেগম (১০)।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ফতেহপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের জয়নাল আহমদের মেয়ে সুহেদা ও মাজেদা দু’জনে বাড়ির পার্শ্ববর্তী কুশিয়ারা নদীতে গোসল করতে নামে। নদীতে নামার পর পানির নিচে তলিয়ে যায় সুহেদা ও মাজেদা। পরবর্তীতে অপর শিশুরা তাদের অভিভাবকদের জানালে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করতে না পেরে স্থানীয় জেলেরা জাল ফেলে তাদের খোঁজ করে। পরে বিকাল ৩টার দিকে জেলেদের জালে উঠে আসে সাজেদা ও মাজেদার মরদেহ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোলাপগঞ্জ সার্কেল) স্বজল কুমার সরকার ও গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাছুদুল আমীন।বিষয়টি নিশ্চিত করে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাছুদুল আমীন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
২৫ মে ২০২৪ ০২:৪৮ পিএম
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: টিকটকের ভিডিও বানাতে গিয়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীতে ডুবে সোহাগ (১২) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।১৩ এপ্রিল শনিবার বিকেলে তিস্তা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। নিহত সোহাগ রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাব গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত সোহাগ তার ফুফাতো বোনকে নিয়ে টিকটক বানানোর উদ্দেশ্যে নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় সাথে আরও দুই বন্ধু ছিল। টিকটকের ভিডিও ধারণের সময় সোহাগ পানিতে নেমে গোসল করতে ছিল। গোসলের এক পর্যায়ে অন্যরা নিজেদের মত তীরে চলে এলেও সোহাগকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। নদীর পাড়ে গিয়ে তাকে খুঁজে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ২ ঘণ্টা পর তিস্তা নদী থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তিস্তা নদী থেকে সোহাগ নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১৩ এপ্রিল ২০২৪ ০১:৩৮ পিএম
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর কালীগঙ্গা নদী থেকে সামিয়া ইসলাম (১৫) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মানিকগঞ্জ সদর থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।৪ মার্চ সোমবার বেলা ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ পৌরসভার কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে কুশেরচর এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।মৃত সামিয়া ইসলাম মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার গঙ্গাধরপট্টি এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে। সামিয়া মানিকগঞ্জ এস.কে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ৩টার দিকে কোচিং করার জন্য বাসা থেকে বের হয় সামিয়া। সেদিন বিকেল ৫টার দিকে নদীর পাড়ে একটি স্কুল ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে এক মহিলা। ব্যাগের ভেতরে থাকা একটি নাম্বারে ফোন দিলে সামিয়ার বাবা রিসিভ করেন। পরে তাকে জানান, যে ব্যাগটি পাওয়া গেছে নদীর পাড়ে। খবর পেয়ে সামিয়ার বাবা নদীর পাড়ে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি। পরে সেখানকার একটি রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখতে পাওয়া সামিয়া ৩টা ১৬ মিনিটের দিকে চর বেউথা নদীর পাশ দিয়ে একাই হেঁটে যাচ্ছিলো। আজ সকালে বেউথা কালীগঙ্গা নদীতে স্থানীয় এক লোক গোসল করতে এসে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিল হোসেন জানান, সকালে আমাদের কাছে একটি কল আসে বেউথা নদীতে একটি মরদেহ ভেসে উঠেছে। খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে নিহত সামিয়ার বাবা সাইফুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় একটি মিসিং ডায়রি করেছিলেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও তদন্ত শেষ হবার পর মূল ঘটনা জানা যাবে।এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
০৪ মার্চ ২০২৪ ০৭:৩৩ এএম
চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনায় মাছ শিকারে গিয়ে নদীতে গেরাপি ফেলতে গিয়ে চাপা পড়ে নদীতে ডুবে মো. আরিফ (৩২) নামে এক ট্রলার মালিকের মৃত্যু হয়েছে।১৯ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে উপজেলার চর জহিরউদ্দিন বরিশাইল্লাহ খাল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ট্রলার মালিক আরিফ চরফ্যাশন উপজেলার চরমানিকা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জহিরুল ইসলাম ওরফে মিন্টু মাঝির ছেলে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ট্রলারে থাকা জেলে নাসির মাঝি। তিনি জানান, নিহত ট্রলার মালিক আরিফের ট্রলারটি নিয়ে ১৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার চরমানিকা ইউনিয়নের এক কপাট স্লুইস গেইট থেকে চারজন মাঝিমাল্লাসহ বাজার করে নদীতে মাছ শিকার করতে গিয়েছিলেন। শুক্রবার ভোরে চর জহিরউদ্দীন সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জাল ফেলার সময় জালের সাথে থাকা গেরাপিতে চাপা পড়ে ট্রলারের মালিক আরিফ নদীতে ডুবে নিখোঁজ হন। এরপর খোঁজাখোঁজি করে ঘটনাস্থল থেকে আধাকিলোমিটার দূরে ভাসমান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চর জহিরউদ্দীন বাজারের এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিলে তিনি মৃত ঘোষণা করেন। দক্ষিণ আইচা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ আহমেদ বলেন, মো. আরিফ নামে এক ট্রলার মালিক নদীতে ডুবে মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে, নদীতে পড়ে প্রচণ্ড ঠান্ডায় তার এ মৃত্যু হয়। কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
২০ জানুয়ারী ২০২৪ ০৩:২৩ এএম